১ লাখ টাকার অভিযোগ, সালিশে ৩৫ হাজার: সীতাকুণ্ডে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে পাওনা নিয়ে অভিযোগ
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল নেতা আবদুল আল মামুনের বিরুদ্ধে ব্যবসার কথা বলে এক কর্মীর কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নেওয়া এবং দীর্ঘ সময়েও তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী মো. শাহজাহানের দাবি, ২০২১ সালে ব্যবসার উদ্দেশ্যে তিনি আবদুল আল মামুনকে ওই টাকা দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও পাওনা টাকা ফেরত না পাওয়ায় শাহজাহান বিষয়টি সমাধানের জন্য গত প্রায় দুই বছর ধরে সীতাকুণ্ড থানার বিভিন্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং কুমিরা ইউনিয়ন জামায়াতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসছিলেন। সালিশে ১ লাখের পরিবর্তে ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণের অভিযোগ অভিযোগকারীর ভাষ্য, ২০২৬ সালে বিষয়টি নিয়ে একটি সালিশ/আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তার দাবি করা ১ লাখ টাকার বিপরীতে ৩৫ হাজার টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তবে অভিযোগকারীর দাবি, ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত ৩৫ হাজার টাকাও এখনো তিনি পাননি। এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, একজন ব্যক্তি যদি ১ লাখ টাকা পাওনার দাবি করেন, তাহলে আলোচনায় বা সালিশে তার পাওনা ৩৫ হাজার টাকা হিসেবে নির্ধারণের ভিত্তি কী ছিল এবং বাকি অর্থের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল? পদত্যাগের দাবি – মো. শাহজাহানের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে পাওনা টাকা নিয়ে সমাধান না হওয়ায় এবং ঘটনার প্রতিবাদে তিনি জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে তার পদত্যাগের বিষয়টি এবং অভিযোগের অন্যান্য তথ্য সংশ্লিষ্ট নথি বা জামায়াতের পক্ষ থেকে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। স্বচ্ছ তদন্তের দাবি – অভিযোগকারী মনে করেন, একটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের মতো অভিযোগ উঠলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা এবং পাওনা অর্থ ফেরতের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে অভিযোগটি সত্য নয় হলে সেটিও প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট নথির মাধ্যমে পরিষ্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।