চট্টগ্রামের চকবাজারের সাবেক কাউন্সিলর নুর মোহাম্মদ টিনুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত এবং নিজেকে ‘যুবলীগ নেতা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া আলআমিনকে আটক করেছে সিএমপির কোতোয়ালী থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আলআমিনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত একটি বিস্ফোরক মামলাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আটকের পর তাকে ছাড়িয়ে নিতে একটি মহল তৎপর হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষ করে কয়েকজন জামায়াত নেতার পক্ষ থেকে আলআমিনকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য যোগাযোগ ও তদবিরের চেষ্টা চলছে, এমন অভিযোগকে ঘিরেই চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা প্রশ্নও উঠছে।
আলআমিনকে ঘিরে টিনুর অনুসারীদের সঙ্গে তার পূর্বের সম্পৃক্ততা এবং জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত মামলার বিষয়টিও সামনে এসেছে। তবে জামায়াত নেতাদের পক্ষ থেকে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
চট্টগ্রামের রাজনৈতিক মহলে এখন প্রশ্ন—মামলা ও অভিযোগের মুখে থাকা আলআমিনকে ছাড়িয়ে নিতে কারা তৎপর এবং তাদের সঙ্গে তার কী ধরনের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক সম্পর্ক রয়েছে?